আমার ২৯ বৎসরের এক টানা কোন কোন দিন ৬/১০ টা বাচ্চা ৭দিন বয়স থেকে নিয়ে ২৫/৩৫ বৎসরের বৎসরের হাজার হাজার মুসলমানি করা হয়েছে। এদের ভিতর, নও মুসলিম, চিকিৎসার জন্য হিন্দু ও খৃষ্টান তাদের ধর্মীয় নিয়মের কারনে)। আমার এই দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার অনুসারে ৩ বৎসর বয়সের কম বাচ্চাদের মুসলমানী করা উত্তম। এই লম্বা সময়ে যেইসব বাচ্চা পেয়েছি তাদের মধ্যে Micro Penis, (এক বারে ছোট পেশাবের রাস্তা) ফাইমুসিস,(একবারে চিকন ছিদ্র ও সামনে টাইট চামড়া), প্যারাপাইমোসিস, (পেশাবের রাস্তার সুপারির পেছনে চামড়া টাইট হয়ে ফিতার মতো একটি বেন্ড হয়ে যায়। অনেকে এটাকে পয়গম্বরী মুসলমানী বলে। কিন্তু এটা ঠিক না, এটা একটা অসুখের নাম, যদি বেন্ড ভিতরের দিকে বেশি চাপ দেয় তাহলে সুপারিটা ফুলে ছোট বেলুনের মতো হয়ে যায়। পরে অপারেশন করতে হয়। কিছু Penis পাওয়া গেছে ইনফেকশন হতে হতে পেশাবের রাস্তার ছিদ্রির উপরে একটি ছোট আবরণ পড়ে যায়। এতে প্রসাবের বাচ্চার বেশ কষ্ট হয় এবং ফোট ফোটা প্রসাব হয় ফলে প্রেসার দিয়ে প্রসাব করতে হয় এবং বাচ্চা কান্নকাটি করে। এতে করে বাচ্চার মূত্রথলিতে ইনফেকশন হয় ও কিডনিতে চাপ পড়ে। কিছু কিছু বাচ্চার ক্ষেত্রে দেখা গেছে ইনফেকশন হতে হতে ছিদ্রির আশে পাশে সাদা হয়ে এমন শক্ত হয়ে যায় যেমন, গরু এবং ছাগলের সিনার হাড্ডির মতো। তাই চিকিৎসা বিজ্ঞানে মুসলমানির জন্য কোন সময় সীমা নির্ধারিত নেই। যত আগে মুসলমানী করা যায় বাচ্চাদের জন্য উত্তম। মুসলমানী করানোর সাথে শীত, গ্রীষ্মের কোন প্রভাব নেই বরং শীতের চাইতে গরমের সময় বাচ্চারা খোলামেলা থাকতে পারে। আমাদের দেশে একটা প্রচলিত বিশ্বাস চলে আসছে শীতকালে মুসলমানী করতে হয়। মুসলমানী একটা মাইনর অপারেশন। গরমকালে কোন বাচ্চার এপিন্ডিসাইটিস হলে কোন ডাক্তার অথবা অভিভাবক শীতকালের জন্য অপেক্ষা করে না। শীতে ও গরমে শুকানোর একই সময় লাগে।

৩ বৎসর বয়সের কমে বাচ্চাদের মুসলমানী করালে সুবিধাসমূহ হলোঃ

১। বাচ্চা মুসলমানী কাকে বলে জানে না। এতে করে তার আর ভয় থাকে না। বললেই হয় তোমাকে ধুয়ে পরিস্কার করে দেবে। আর ছোটদেরতো এই সম্পর্কে কোন অভিজ্ঞতাই নেই। একটু বড় হলে ফেইজবুক , ইউটিউব ইত্যাদি প্রচার মাধ্যমে যেসব মুসলমানী করানো দেখানো হয় এতে করে বাচ্চাদের মনের ভিতর একটি ভয়ের সঞ্চার হয়। তাই পুরো অজ্ঞান করা ছাড়া তাদেরকে ম্যানেজ করা অভিভাবকদের জন্য অনেক কষ্ট হয়ে পড়ে। যেহেতু মুসলমানী কাটা কাটি দেখার কারণে তার মাথার ভিতরে থাকে। এক্ষেত্রে কিছু কিছু বাচ্চারা মুসলমানী করার ক্ষেত্রে অনীহা প্রকাশ করে।

২। রক্তনালী চিকন থাকাতে কোন রক্তপাত না হয় বললেই চলে।

৩। অবসের ঔষধ খুবই কম লাগে।

৪। খুব তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।

৫। মাদ্রাসা ও স্কুলে ভর্তির আগেই অভিভাবকদের মুসলমানী সংক্রান্ত পেরেসানী দূর হয়ে যায়।

৬। ছোটদের খাওয়ার ঔষধ খুবই কম লাগে।

৭। ০৩ বৎসরে যেহেতু বাচ্চাদের স্কুল মাদ্রাসা থাকে না সেহতু অভিভাবকদের সুবিধা অনুসারে বৎসরের যে কোন সময়ে মুসলমানী করিয়ে নিতে পারেন।

৮। যেহেতু ছোট বেলায় বাচ্চাদের মুসলমানী কাজ সম্পন্ন হয়ে গেছে সেহেতু সে স্কুল ছুটিতে ওমরায় যেতে পারবেন এবং আত্মীয় স্বজনদের বাসায় বেড়াতে যেতে পারে।